Breaking News

রাতে একসঙ্গে ৩ জনকে দিতে হতো ছাত্রীকে, রইল ভিডিওর লিংকসহ

তমা ইসলাম (ছদ্মনাম)। রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা এই শিক্ষার্থী দেশের নামকরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট্রি বিভাগের স্নাতকের ছাত্রী। তিনি বর্তমানে ব্যবসায়ের সাথে জ’ড়িত। নিজের জীবনের নানান ধাপে ধাপে অনেক ধরনের নি-র্যা’তন সয়ে আজ তাকে এ পথে নামতে হয়েছে। আর বাকি পাঁচজনের মতোই ছিলো
তমার জীবন। কিন্তু তার বাবার ব্যবসায়ে ক্ষতি হওয়ার পর উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনো তমার জীবনে নেমে আসে কালো ছায়া। তমার বাবার রাজধানীর মিরপুরে একটি কাপড়ের দোকান ছিলো। কিন্তু তার বাবার ব্যবসায়ীক পার্টনার তাদের সাথে প্র’তারণা করে তমার পরিবারকে নিঃস্ব করে। ওই ব্যক্তি হাতিয়ে নেন
তমা’দের ২৫ লক্ষ টাকা। স্নাতকে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাতালিকায় স্থান পাওয়ার পরেও ভর্তি হওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থ ছিলো না তমার। তার বাবাও তাদের রিবারের জন্য তেমন কিছু করতে পারছিলেন না। অবস্থা ছিলো অনেকটাই বেগতিক। তমার পরিবারের সদস্যদের দিনের পর দিন আধ পেটা, না খেয়ে পার করতে
‘হতো। চার ভাই-বোনের মধ্যে তমাই সবার বড়। তিনি তার পরিবারের অবস্থা আর নিজের পড়াশোনার জন্য চাকরির সি’দ্ধান্ত নেন। কয়েকটি চাকরির ওয়েবসাইট ঘুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিভি দেন তমা। কিন্তু দিনের পর দিন পার হলেও তিনি কোথাও ডাক পান না। এ অবস্থায় মানসিকভাবে অনেকটাই ভে’ঙে পড়েন সদ্য উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনো এই ছাত্রী। মাসখানেক পর হঠাৎই একটা কল আসে তমার কাছে। একটি প্রতিষ্ঠানে তমাকে চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়। তমা সময় মতো গু’লশানের ওই অফিসে হাজির হন। তমাকে তখন সাধারণ কিছু প্রশ্নের পর জানানো হয় এটা একটি
বিউটি পার্লারের কাজ। স্পা করাতে হবে না’রীদের।তমা দীর্ঘদিন চাকরি খুঁজেও কোনো উপায়ন্ত না পেয়ে তাদের প্রস্তাবে রাজি হন। ভাবলেন তাও একটা কাজ তো পেয়েছেন। ওইদিনের মতো তমাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় পরবর্তী তারিখ দিয়ে। জানানো হয় পরবর্তী দিন ওই অফিসের ‘বস’ তমার ইন্টারভিউ নিবেন। তিনি ফাইনাল করলেই তমার চাকরি হবে। পরবর্তী তারিখে তমা
সময় মতো ওই লোকের দেওয়া ঠিকানায় উপস্থিত হন। পরে তাকে ‘হোটেল রেডিসনের’ একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে তমা দেখতে পান এক লোক সোফায় বসে আসেন। তমার যেহেতু চাকরির পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিলো না তাইতিনি তেমন কিছুই আঁচ করতে পারেননি যে, তার সাথে কী ঘটতে যাচ্ছে! এরপর তমা যেই লোকের সাথে হোটেল পর্যন্ত গেলেন তিনি রুমে থাকা লোকের কাছে
তমাকে রেখে ‘কানেকানে’ বলে যান ইনি আমা’দের ‘বস’। তাকে সন্তুষ্ট করতে পারলেই চাকরি কনফার্ম। সদ্য উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পার করা তমা তখনও কিছু বুঝতে পারেননি। এরপররুমে ওই লোক জো’র জ’বরদস্তি করে তমাকে ধ… করেন। শুরু হয় তমার জীবনের নতুন অধ্যায়। তমা তার জীবনের এই অ’নাকাঙিক্ষত ঘটনা কাউকে বলতে
পারেননি। তার পরিবারের লোকের পাশে তখন তার দাঁড়ানো দরকার ছিলো- এর ওপরে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, ছোট ছোট তিনটা ভাই-বোনের দিকে তাকিয়ে তমা সেদিন প্র’তিবাদ করতে পারেননি। কিন্তু তমার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয় সেখান থেকেই। তমা সেদিনকার মতো বাড়িতে ফিরে আসেন এবং আত্ম চেষ্টা করেন।
কিন্তু পরিবারের কথা ভেবে অন্ধকার জগতের পথ বেছে নেন তমা। তমা বাড়ি ফেরার দুই-একদিন পর ওই লোকেরা তার সাথে আবার যোগাযোগ করেন। জানান, তমা চাইলে তারা প্রতিমাসে তাকে তিনটা কাজ দিবে। এর জন্য তমাকে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হবে। তমাও রাজি হয়ে যান তাদের শর্তে। তমার দাবি, তার
সামনে অন্য আর কোনো উপায় ছিলো না! ‘কিছুদিন যাওয়ার পর অন্ধকার জগতে কাজ করে এমন একটা গ্রুপে এ্যাড হলাম। এই গ্রুপের যিনি এ্যাডমিন ছিলেন তিনি কারো কাছ থেকে কোন বিনিময় নেয় না। তিনি কাজ যোগাড় করে দেয়। এভাবেই অন্ধকার জগতে প্রবেশ করি। একসময় আমি বুঝতে পারি কিভাবে যোগাযোগ
করতে হয়। কিভাবে নিজেকে হাইড রাখতে হয়। এ কাজ করতে গেলে কখনো নিজেকে অপ’রাধী মনে হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব সময় মনে হয়,আবার মাঝে মাঝে মনে হয় না। টাকা পয়সা আর প্যাকেজের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, টাকা পয়সার বিষয় হচ্ছে যারা আসে তাদের অবস্থা বুঝে। যার অর্থনৈতিক অবস্থা একটু ভালো সে হয়তো একটু বেশি দিচ্ছে। কিভাবে যোগাযোগ হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন
, গ্রুপে পোস্ট দেই, কন্টাক্টটা ইনবক্সে হয়। তার পর ফোনের মাধ্যমে কন্টাক্ট করা হয়। যায়গাটা কিভাবে নির্ধারণ করা হয় এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমা’দের গ্রুপের অনেকে আছে যারা পরিবার সহ থাকে। ওখানে যাওয়া হয়, কিন্তু যায়গা গু’লো অনেক নিরাপত্তার। কেউ ঝামেলা করবে এমন কোন সমস্যা নেই।

About luxurycarairfresheners

Check Also

শরীরের এই জায়গায় ছুঁলেই পা’গল হবেন স’ঙ্গী, মেয়েদের শরী’রের গো’পন র’হস্য

মেয়েদের শরীরে এমন অনেক অংশ আছে যা অত্যন্ত সংবেদনশীল। যে জায়গায় স্পর্শ করলে যৌন উত্তেজনা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *